সামান্য বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় চরম দূর্ভোগ চট্টগ্রামে

চট্টগ্রাম মহানগর

Sharing is caring!

সন্ধ্যায় এক ঘন্টার বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের অনেক জায়গায় জলাবদ্ধতার তৈরি হয়েছে। এই বৃষ্টিতে অনেক এলাকায় হাটু পানি, কোথাও আবার কোমড় পানি সমান জলাবদ্ধতার খবর পাওয়া গেছে। এতে মারাত্মক দূর্ভোগে পড়তে হয়েছে নগরবাসীকে।

শুক্রবার (২৪ মে) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে শুরু হওয়া এই বৃষ্টি ছিল আটটা পর্যন্ত। এর মধ্যে চট্টগ্রামের দু’ নম্বর গেট, মুরাদপুর, চকবাজার, বহদ্দারহাট, খাতুনগঞ্জ, আগ্রাবাদের সিডিএ ও হালিশহর আবাসিক এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।

এসময় নগরীর বেশিরভাগ রুট গণপরিবহন শূন্য হয়ে পরে৷ এতে করে চরম দূর্ভোগে পড়ে অফিস ফেরত মানুষরা। তাছাড়া শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় অনেকেরই পরিকল্পনা ছিল ঈদের শপিং সেড়ে নেয়ার। বৃষ্টিতে ভেস্তে গেছে এমন অনেকের পরিকল্পনাও।

কামরুল নামে একজন জানান, হালিশহরে একটা ইফতার মাহসিলে এসেছিলেন তিনি। বৃষ্টি তে আটকা পরে এখন বাসায় ফিরতেও পারছেন না। কারণ রাস্তায় পানি জমে যাওয়ায় কোন লোকাল গাড়ি পাচ্ছেন না। এমনকি সিএনজি গুলোও ভাড়ায় যেতে রাজি হচ্ছে না।

জুয়েল আহমেদ নামে একজনের সাথে কথা হয় জিইসি মোড়ে। সিনিউজকে তিনি বলেন অফিস শেষে বাসায় ফিরবো কিন্তু গাড়ি পাচ্ছি না৷ রিক্সা যা একটা দুটা দেখছি ভাড়া চাচ্ছে কয়েকগুন বেশি। এই সামান্য বৃষ্টিতে যদি এই অবস্থা হয় তাহলে সামনে কি হবে? পুরো বর্ষা পরে আছে এখনো, যোগ করেন জুয়েল।

এই জলবাদ্ধতা সমস্যা সমাধান না হওয়ার জন্য সিটি কর্পোরেশনের উদাসীনতাকে দায়ী করে মোমেন নামে একজন সিনিউজ কে বলেন,  জলাবদ্ধতা নিয়ে এত কথা হয়। কিন্তু লাভ কি? ১০ বছর আগে যে জায়গায় ছিল এখনো সে জায়গাতেই আছে। কোন সমাধানতো হলো না। সামান্য বৃষ্টিটে এত দূর্ভোগ মানা যায় না।

বিরক্তির সুরে তিনি বলেন, নালা নর্দমা পরিষ্কার করা হয় না নিয়মিত। খাল ড্রেনেজ করা হয় না৷ এখন নতুন করে যোগ হইছে জনগনকে দোষ চাপানো। যে জনগন ময়লা ফেলে ড্রেন ভরে ফেলে৷ যদি তা হয়েও থাকে সেখানেওতো সিটি কর্পোরেশনের ব্যর্থতার কথা আসবে। সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ভাল হলেতো জনগণের ড্রেনে ময়লা ফেলার দরকার হতো না।

সিটি কর্পোরেশন আন্তরিক ও দায়বদ্ধ না হলে এই সমস্যা দিন দিন আরো প্রকট হবে দাবি করে, জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার দাবি এসকল ভুক্তভোগীদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *