ঈদ উপলক্ষে সন্দ্বীপ মুখো মানুষের মধ্যযুগীয় ভোগান্তি

নাগরিক দুর্ভোগ

Sharing is caring!

ঈদের বাকি আর একদিন। ঈদ উৎযাপনের জন্য ঘরমুখো মানুষদের বাড়ি ফেরার শেষ দিনও আজ। ঈদের আগে গত কাল অফিস আদালতগুলোর শেষ কর্মদিবস থাকায় অনেকেই বাড়ি ফিরছে আজ। ঈদে বাড়ি ফেরার যাত্রায় সারাদেশের সবচেয়ে বাজে অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে দ্বীপ জনপদ সন্দ্বীপের মানুষদের।

এমনিতেই অব্যবস্থাপনার কারণে মধ্যযুগীয় কায়দায় নৌপথে যাতায়াত করতে হয় সন্দ্বীপবাসীকে। তার সাথে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের চাপ ও আবহাওয়ার বিরূপ পরিস্থিতি যোগ হওয়ায় ভোগান্তি বেড়েছে চরম আকারে৷ ভোর ৫ টা থেকে নৌঘাট গুলোতে অপেক্ষা করে থেকেও বাড়ি ফিরতে পারছেনা হাজার হাজার মানুষ। সন্দ্বীপের অন্যতম ফেরীঘাট কুমিরা ঘাটে সকাল থেকেই স্পীডবোট চলাচল বন্ধ রয়েছে। ইঞ্জিল চালিত কাঠের বোট দিয়ে কয়েকদফা যাত্রী পারাপার করা হলেও ভোগান্তির মাত্রা কমেনি সামান্যতমও। অন্যদিকে বাঁশবাড়িয়া ঘাটে যাত্রীদের ভীর থাকলেও ঘাট ইজারাদার পক্ষের কাউকে দেখা যায়নি সেখানে। যাত্রীদের কোন নির্দেশনা না দিয়েই পালিয়েছে ঘাট পরিচালনাকারীরা৷

এদিকে কোথাও কোন সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা না পেয়ে মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যেও এই ঘাট থেকে ঐ ঘাটে ছুটে বেড়াচ্ছে যাত্রীরা। এই ভোগান্তির জন্য দায়িত্বশীলদের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা ও অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করছেন ভুক্তভোগীরা।

নাইম নামে একজন সিনিউজকে বলেন, ভোর ৫ টায় ঘাটে এসেছি। এখন বিকেল ৪ টা। আদৌ সন্দ্বীপ যেতে পারবো কিনা, পরিবারের সাথে ঈদ করতে পারবো কিনা জানিনা। মুস্তাকিম নামে একজন বলেন, মাঝে মাঝে নিজেকে অভিষপ্ত মনে হয়। এমন মধ্যযুগীয় ভোগান্তি আর কোন এলাকার মানুষকে পোহাতে হয় বলে মনে হয় না।

এজন্য দায়িত্বশীলদের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা দায়ী বলে মনে করেন হাসান ফেরদৌস। বেসরকারি একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া এই শিক্ষার্থী বলেন, এমন না এই রুটে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্মুথ এখন ঈদ উপলক্ষে চাপ বাড়ায় ভোগান্তি হচ্ছে। এখানেতো সব সময়ই ভোগান্তি হয়। এই ভোগান্তি দূর করতে আজ পর্যন্ত কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *