ঈদের পরও পদবঞ্চিতদের খোঁজ নেয়নি শোভন -রাব্বানি

রাজনীতি

Sharing is caring!

ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি থেকে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে কমিটি পুনর্গঠনের দাবিতে ঈদের দিনও অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন পদবঞ্চিতরা। বুধবার ঈদের দিন সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে নামাজ পড়ে আবারও সেখানে বসেছেন আন্দোলনরতরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বেশ কয়েকদিন ধরে কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে বিতর্কিতদের বাদ দেওয়ার দাবিতে আন্দোলন করছে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিত নেতারা। বুধবার (৫ জুন) ঈদের দিনেও বৃষ্টিতে ভিজে তারা আন্দোলন অব্যাহত রাখেন। কিন্তু ঈদের পরদিনও আন্দোলনে থাকা পদবঞ্চিত ছাত্রনেতাদের খোঁজ নেয়নি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক পরিবেশবিষয়ক উপ-সম্পাদক ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী সজীব বলেন‘ছাত্রলীগ আমাদের পরিবার। আমরা আশা করেছিলাম, পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের খোঁজ-খবর নেওয়া হবে। কিন্তু সেটি হয়নি। ছাত্রলীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কোনো নেতা আমাদের খোঁজ নেননি। এমনকি ঈদের শুভেচ্ছাও জানাননি।

ছাত্রলীগের গত কমিটির মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপ-সম্পাদক আল মামুন জানান ‘আমরা ১১তম দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছি। ছাত্রলীগের স্বার্থে খেয়ে না খেয়ে এখানে এতদিন ধরে পড়ে আছি। এতদিন ধরে যাদের সঙ্গে ছাত্র রাজনীতি করেছি, ঈদের একদিন পেরিয়ে গেলেও তাদের কেউ আমাদের খোঁজ নেয়নি। এটা খুব দুঃখজনক।

আন্দোলনকারীদের মুখপাত্র গত কমিটির কর্মসূচি ও পরিকল্পনাবিষয়ক সম্পাদক রাকিব হোসেন বলেন, ‘আমাদের দাবি ছিল ঈদের আগেই যেন বিতর্কিতদেরকে বাদ দিয়ে কমিটি করা হয়। সেই দাবি এখনো পূরণ হয়নি বলে আমরা আমাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাব।’

এদিকে ঈদের দিন ছাত্রলীগের এই বঞ্চিত নেতাদের খোঁজ নিয়েছেন স্বতন্ত্র জোটের ডাকসু সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী অরণি সেমন্তি খান। ঈদের দিন বিকেলে রাজু ভাস্কর্যে আন্দোলনরত এসব নেতাদের জন্য খাবারও নিয়ে আসেন তিনি। তবে আন্দোলনরতরা অরণির দেখতে আসা প্রসঙ্গে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

অবস্থান কর্মসূচিতে থাকা অন্যান্যরা হলেন- গত কমিটির উপ-দপ্তর সম্পাদক নকিবুল ইসলাম সুমন, উপ-কর্মসূচি ও পরিকল্পনাবিষয়ক সম্পাদক মুরাদ হায়দার টিপু, স্কুলছাত্রবিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, সমাজসেবা সম্পাদক রানা হামিদ, কবি জসিমউদদীন হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহেদ খানসহ আরও অনেকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *