সব আগের মতই আছে শুধু নেই মহিউদ্দিন চৌধুরী

চট্টগ্রাম মহানগর

Sharing is caring!

অন্যান্য বছরের মত এবারের ঈদেও চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা ভীড় জমাচ্ছেন এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর চশমা হিলের বাসভবনে। প্রতিবার ঈদে চশমা হিলের এই বাসভবনেই দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতেন এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। এবার মহিউদ্দিন চৌধুরী নেই, তবে এবারও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে চশমা হিলের বাসভবনে ভীড় জমিয়েছেন দলীয় নেতা কর্মীরা।

এবারে নেতা-কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন মহিউদ্দিন চৌধুরীর বড় ছেলে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। নগর মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দীন ও ছোট ছেলে বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহিনের সঙ্গেও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন দলীয় নেতা-কর্মী সহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ।


অন্যান্য বারের মত অতিথিদের সেমাই, সাদা ভাত, গরু ও মুরগির মাংস দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়েছে। সব কিছুই আগের মত আছে শুধু নেই এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। ঈদের আনন্দের মাঝে তাঁর শূণ্যতাকে ঘিরে ছিল একধরনের বিষন্নতাও।


চশামা হিলের বাসভবনে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে আসা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ সম্পাদক আবু সাঈদ সুমন সিনিউজ অনলাইনকে বলেন, আমাদের ঈদের আনন্দের বিরাট একটা অংশ জুড়েই এই বাসভবন। প্রতিবার আমরা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করতাম। তিনি নানা ভাবে আমাদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতেন। এবার তিনি নেই। উনার সুযোগ্য উত্তরসূরী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবার সবার সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। সব কিছুই আগের মত ছিল, শুধু ছিলেন না প্রিয় মহিউদ্দিন চৌধুরী।

নগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি বলেন, ঈদে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষ যেভাবে চশমা হিলে ভীড় জমাতো এবারও একই রকম ভাবে ভীড় ছিল চশমা হিলে। এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর যোগ্য উত্তরসূরী নওফেল ভাই কাউকে উনার শূন্যতা অনুভব করতে দেন নি। সব কিছুই আগের মত আছে, মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্থলে মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এসেছেন।

নগর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর বলেন, এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী চট্টগ্রামের গণ মানুষের নেতা, উনার শূন্যতা আসলে কোনভাবেই পূরণ হওয়ার নয়। এবারও চট্টগ্রামের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের ভীড় ছিল চশমা হিলে। মানুষজন ফজরের নামাজ পড়ে চশামা হিলে এসেছেন। মহিউদ্দিন চৌধুরীর কবর জেয়ারত করেছেন। আমি অনেককেই দেখেছি ঈদের দিনে মহিউদ্দিন চৌধুরীর কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কাঁদতে।

তবে মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুপস্থিতিতে উনার দেখানো পথেই নেতাকর্মীদের সাথে ঈদ উৎযাপন করেছেন উনার সন্তান মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

সব মিলিয়ে এবারের ঈদেও চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের পদচারণয় মুখরিত ছিল চশমা হিল। সব আয়োজন আগের মতই জমজমাট ছিল। সব থাকার মধ্যে একটাই শূন্যতা, কর্মীদের প্রিয় এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *