অবৈধ টোকেনে সিএনজি চলছে রাঙ্গুনিয়া-কাপ্তাই সংযোগ সড়কে,ভোগান্তিতে নগরবাসী

চট্টগ্রাম মহানগর

Sharing is caring!

ইমরান হোসেন:- কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় যাওয়ার অন্যতম প্রধান সড়ক হলো রাঙ্গুনিয়া-কাপ্তাই সংযোগ সড়ক। কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্টেশনে ভাড়ার ভিন্নতা থাকলেও ঈদ’কে কেন্দ্র করে প্রায় দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করা হয়েছিলো যাত্রীদের থেকে। ঈদ ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি ছুটি’তেও উৎসবে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করার রেওয়াজ বহু পুরোনো।

সাধারণত সপ্তাহের প্রতি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা হলেই সিএনজি চালকেরা দেড়গুণ থেকে প্রায় দ্বিগুণ পর্যন্তও ভাড়া দাবি করেন, আর সিএনজি চালকদের সিন্ডিকেটের কারণে যাত্রীরাও নিরুপায় হয়ে একপ্রকার বাধ্য হয়েই চাহিদামতো ভাড়া দিয়ে আসছেন। সিএনজি সিন্ডিকেটের কাছে সাধারণ যাত্রী অনেকটা জিম্মি, চালকদের দাবি অনুযায়ী ভাড়া দিয়েই চলাচল করতে হয় এই রুটে।

মোটরযান আইনে বিআরটিএ (বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি) পৃথকভাবে সিএনজি অটোরিকশা চলাচলের জন্য মেট্রো ও জেলার সীমানা নির্ধারণ করে দেয়।
এ সীমানা নির্ধারণের পর থেকে নিজ এলাকা ছাড়া জেলার নিবন্ধনভুক্ত সিএনজিগুলো মেট্রো এলাকায় এবং মেট্রো নিবন্ধনভুক্ত সিএনজিগুলো জেলায় চলাচল না করার ব্যাপারে নির্দেশনা দেয় বিআরটিএ।চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের পশ্চিম মোহরা গোলাপের দোকান এলাকা পর্যন্ত চট্টগ্রাম মেট্রো সিএনজি অটোরিকশার সীমানার বিস্তৃতি, যা ৫ নম্বর মোহরা ওয়ার্ডের আওতাধীন এলাকা। এরপর থেকে জেলা সড়ক শুরু। এক্ষেত্রে বিআরটিএর রুট পারমিট ছাড়াই টোকেন বাণিজ্যের কারণে গ্রাম সিএনজি গুলো শহরে যাত্রী পরিবহনের কাজ করে।

চালকদের কাছে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সিএনজি চালক জানান, ” সমিতির চাঁদার বাইরেও গ্যাসের দামের ঊর্ধ্বগতি এবং রাঙ্গুনিয়া উপজেলা থেকে রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়া- কাপ্তাই রাস্তার মাথা পর্যন্ত যেতে চাইলেই চান্দগাঁও থানা থেকে মাসিক টোকেন সংগ্রহ করতে হয়। নোয়াপাড়া পর্যন্ত টোকেন মাসিক ৩০০ টাকা আর কাপ্তাই রাস্তার মাথার টোকেন প্রায় ৫০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা করে নেয়। এসব কারনেই বাধ্য হয়ে বাড়তি ভাড়া নেন তারা।

টোকেন বাণিজ্য ও যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে জানতে সিএমপির চান্দগাঁও থানায় যোগাযোগ করা হলে। চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিনিউজকে বলেছেন আমরা কোন টোকেন দিই না, আর এরকম কোন অভিযোগ যদি আসে তবে আমরা এ্যাকশন নিব।

সিএমপির ট্রাফিক (উত্তর) বিভাগের ডিসি হারুনুর রসিদ হাজারীর সাথে যোগাযোগ করা হলে উনিও এই বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান। তবে এই অভিযোগগুলোর ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *