এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ নিশ্চিত করলো শ্রীলঙ্কা

খেলাধুলা

Sharing is caring!

প্রেমাদাসার ব্যাটিং স্বর্গে মাত্র ২৩৮ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। তবুও বোলাররা দারুণ কিছু করতে পারলে চমক ঘটতে পারতো। তবে সেই আশায়ও বালি ছিটিয়ে দেয় লঙ্কানদের উড়ন্ত শুরু। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে জিতে, এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ ভাগিয়ে নেই স্বাগতিকরা।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ২৬ রানে প্রথম প্রথম উইকেট হারানোর পর ৩১ রানে হারায় দ্বিতীয় উইকেট। এরপর নিয়মিত উইকেট হারিয়ে মুশফিক ও মিরাজে ভর করে সম্মানজনক ২৩৮ রানে পৌঁছায় বাংলাদেশ। বীপর্যয়ের দিনে মুশফিকুর রহিম করেন অপরাজিত ৯৮* রান ও মিরাজের ব্যাট থেকে আসে মূল্যবান ৪৩ রান।

লো-স্কোরিং ম্যাচ জেতার জন্য যা যা করতে হয় শুরুতে তা করতে ব্যর্থ বাংলাদেশ। প্রথম ১০ ওভারই তার প্রমাণ। বোলারদের লাগামহীন বোলিংয়ের সঙ্গে হতাশা ও চওড়া হয়ে চেঁপে ধরে ফিল্ডিংয়ে, মিসে রমরমা বাজিমাতে ম্যাচ ততক্ষণে চলে যায় লঙ্কানদের হাতে।

শুরুতে রান আটকে রেখে উইকেটের দরকার হলেও সেখানে প্রথম উইকেটের দেখা পেতে লাগল ১১ ওভার। ততক্ষনে প্রায় সাত গড়ে রান তুলে স্কোরবোর্ডে জমা করে ফেলেন ৭১ রান।

মেহেদী হাসান মিরাজের বলে বোল্ড হন লঙ্কান অধিনায়ক।আউট হওয়ার আগে করেন ১৫ রান। এ বাঁহাতির বিদায়ে ওপেনিং জুটি ভাঙে ৭১ রানে।

দ্বিতীয় উইকেটের দেখা পেতে লাগল আরও ১০ ওভার। এদিকে একাধিক সুযোগ পেয়ে ২১তম ওভারে ফার্নান্ডো যখন ফিরলে নামের পাশে ৮২ রান করে।মোস্তাফিজের কার্টারে পুল করতে গিয়ে মিস-টাইমিংয়ের কবলে পড়ে মিডঅনে দাঁড়িয়ে থাকা তামিমের তালুবন্দি হোন তিনি ।

ফার্নান্ডো বেশ চালিয়ে খেলায় এদিন কিছুটা স্বভাব-বিরুদ্ধ ব্যাটিং করেন কুশাল পেরেরা। ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে সতীর্থকে সাহায্য করতে থাকেন প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান। তবে ফার্নান্ডো আউট হলে নিজের আগ্রাসী মেজাজে ফিরতে ফিরতেই সাজঘরে যেতে হয় পেরেরাকে।

মোস্তাফিজের নিচু বল কভার দিয়ে চালিয়ে খেলেছিলেন, কিন্তু সৌম্য সরকারের বিশ্বস্ত হাত ফাঁকি দিতে পারেননি এই পর্যায়ে। আউট হওয়ার আগে ৩৪ বলে করেন ৩০ রান।

ফার্নান্ডো ও পেরেরা ফেরার পর কিছুটা নিঃশ্বাস ছাড়ে বাংলাদেশ। কিন্তু সেটা বেশি সময় স্থায়ী হয়নি দুই মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ও কুশাল মেন্ডিসের নিকট। দুজনের ধৈর্যশীল, হিসেবি ব্যাটিং ম্যাচের হিসেব নিজেদের করে নেয়

আগের ম্যাচে ৪৮ রান করেছিলেন ম্যাথুজ। দ্বিতীয় ম্যাচে আর বঞ্চিত হোননি করেছেন ৫৭ অপরাজিত ৫২ রান। আর আগে ম্যাচে ৪৩ করা মেন্ডিস অপরাজিত থাকেন ৭৪ বলে ৪১ রান করে। শ্রীলঙ্কা ম্যাচ জেতে ৩২ বল হাতে রেখে।

শ্রীলঙ্কার মাটিতে এর আগে কখনোই সিরিজ জিততে পারেনি বাংলাদেশ। এবারও হল না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *