আজ জাতীয় শোক দিবস

জাতীয়

Sharing is caring!

আজ ১৫ আগস্ট,জাতীয় শোক দিবস। সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে এই দিনে বাঙালির ইতিহাসে এক কালিমালিপ্ত অধ্যায় রচিত হয়েছিল।

কতিপয় চক্রান্তকারী সেনাসদস্য ১৯৭৫ সালের এই দিনে নৃশংসভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও স্বাধীনতাসংগ্রামের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে। তাদের বর্বরতা থেকে শিশু ও নারীরাও রেহাই পাননি। গভীর ও বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতি আজ তার শ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধুসহ সেদিনের শহীদদের স্মরণ করবে। দিনটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক
সর্বশেষ

কতিপয় চক্রান্তকারী সেনাসদস্য ১৯৭৫ সালের এই দিনে নৃশংসভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও স্বাধীনতাসংগ্রামের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে। তাদের বর্বরতা থেকে শিশু ও নারীরাও রেহাই পাননি। গভীর ও বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতি আজ তার শ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধুসহ সেদিনের শহীদদের স্মরণ করবে। দিনটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

ইতিহাসের নৃশংস ও মর্মস্পর্শী সেই রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের আজ ৪৪তম বার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছাড়াও ঘাতকের বুলেটে নিহত হন তাঁর স্ত্রী বেগম ফজিলাতুননেসা মুজিব, ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, ভাই শেখ আবু নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগনে শেখ ফজলুল হক মণি, তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি এবং বঙ্গবন্ধুর জীবন বাঁচাতে ছুটে আসা কর্নেল জামিল। দেশের বাইরে থাকায় ঘাতক চক্রের হাত থেকে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত সেসব খুনি দীর্ঘদিন ছিল বিচারের আওতাবহির্ভূত। দীর্ঘ ২১ বছর পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করলে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা সচল হয়। ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি আদালতের চূড়ান্ত রায় কার্যকর হয়। খুনিদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের ফাঁসি কার্যকর হয়। ছয়জন এখনো পলাতক।

কর্মসূচি: ১৫ আগস্ট উপলক্ষে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। সকাল পৌনে ছয়টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। সাড়ে সাতটায় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্য ও অন্যান্য শহীদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতিহা পাঠ করবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর মাজারে ফাতিহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। সেখান থেকে ফিরে বঙ্গবন্ধু ভবনে মহিলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত মিলাদ মাহফিলে অংশ নেবেন তিনি।

দিবসটি উপলক্ষে দেশের সব মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল হবে। আর সুবিধামতো সময়ে মন্দির, প্যাগোডা, গির্জায় হবে বিশেষ প্রার্থনা। সারা দেশে দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিতদের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে। এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও বেতারসমূহ বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করছে এবং পত্রিকাগুলো ক্রোড়পত্র ও নিবন্ধ প্রকাশ করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *