কোচিং সেন্টারগুলো নীতিমালার মধ্যে পরিচালিত হোক এটাই লক্ষ্য: শিক্ষা উপমন্ত্রী

জাতীয়

Sharing is caring!

শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নীতিমালা বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে সরকার। ২০১২ সালে নীতিমাল প্রণয়ন করা হলেও আইনি জটিলতায় তা বাস্তবায়িত হয়নি। সম্প্রতি জটিলতা কেটে যাওয়ার সাত বছর পর তা কার্যকরে আর কোনো বাঁধা থাকলো না। বিবিসি বাংলা

সোমবার (২৬ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ে একটি সভার আয়োজন করা হয়েছে। যেখানে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, বোর্ড, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। এক সাক্ষাৎকারে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, কোচিং সেন্টার মনিটরিং করার জন্য ২০১২ সালের নীতিমালাই বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, কোচিং সেন্টারে অনেক বেকার ছেলে মেয়েরা পড়ায় তাদের নিজস্ব জ্ঞান বাড়ার পাশাপাশি আর্থিকভাবে সচ্ছল হয়। আমরা কোচিং সেন্টারকে বন্ধ করা নয়, এটাকে নীতিমালাতে নিয়ে শৃঙ্খলার মধ্যে চালানোই লক্ষ্য।

আজকের মিটিয়ের সঙ্গে আরো কিছু বিষয় আনবো, যেহেতু কোচিং সেন্টারে ভর্তি কোচিং ও করানো হয়। ভর্তি চলাকালে কোচিং সেন্টারের কর্মপরিধি কেমন হবে তা আলোচনা করা। মূলত কোচিং সেন্টারগুলো যেনো কোচিং এর জন্যই ব্যবহার করা হয়। কোচিং সেন্টার বাণিজ্য হিসেবে ব্যবহৃত না হয়। আবার অনেক সময় দেখা যায় কোচিং সেন্টারের সঙ্গে যোগসাজস করে কিছু অসাধু শিক্ষক প্রশ্নপত্র ফাঁস করে থাকে সেটা বন্ধ করা কিভাবে সম্ভব সেটাও নিয়ে আলোচনা হবে।

তিনি আরো বলেন, কোচিং সেন্টারে কতটুকু শৃঙ্খলা আনা যাবে এটা আগে থেকে বলা ঠিক না। আজকের মিটিং করার পর আরো ভালোভাবে বলতে পারবো। সবকিছু অগ্রিম বললে সমস্যা আছে, সেহেতু সারা দেশব্যাপী কোচিং নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে আছে। এটাকে শৃঙ্গলায় আনা মনিটরিং করা, কষ্ট তা হলেও আনতে হবেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *