সিলেটে পুলিশের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাত দলের সর্দার নিহত

সারাদেশ

Sharing is caring!

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মিসবাহ উদ্দিন (২৮) নামের এক ডাকাত সদস্য নিহত হয়েছেন।

শনিবার (৩১ আগস্ট) দিবাগত রাত সোয়া ৩টার দিকে উপজেলার শেওলা ব্রিজ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন।

বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অবনী শঙ্কর বলেন, নিহত মিসবাহ জকিগঞ্জ উপজেলার শরিফাবাদ গ্রামের আলিম উদ্দিনের ছেলে। তিনি আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সিলেটের বিভিন্ন থানায় পাঁচটি ডাকাতি, একটি ডাকাতির প্রস্তুতি ও দু’টি অস্ত্র মামলা রয়েছে।

ওসি জানান, এর আগে বিয়ানীবাজার থানার একটি ডাকাতি মামলার (১৪নং মামলা,তারিখ-১৯-০৬-১৯) ছয় আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। এরমধ্যে তিনজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানায়-মিছবাহ তাদের সর্দার। সিলেট শহরে থাকা এক বান্ধবীর মাধ্যমে মিছবাহ ডাকাতির মালামাল বিক্রি করেন। ওই তিনজনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শনিবার রাত ৮টায় সিলেটের জাফলং থেকে গ্রেফতার করা হয় মিছবাহকে। এরপর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাতিতে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার ও সহযোগিদের গ্রেফতার অভিযানে রাত ১টায় বের হয় পুলিশ।

শেওলা ব্রিজের পাশে পৌঁছার পর মিসবাহকে তার সহযোগীরা ছিনিয়ে নেয়ার জন্য পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে মিসবাহ গুলিবিদ্ধ হলে পরে
তাকে উদ্ধার করে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উভয়পক্ষের গোলাগুলিতে এসআই মিজান, রুমেন, মহসিন ও দুই কনস্টেবল আহত হন বলে জানান ওসি অবনী শঙ্কর। তিনি বলেন, আহতদের মধ্যে মিজানের অবস্থা গুরুতর।

ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ পাঁচ রাউন্ড গুলিসহ একটি পাইপগান, গ্রীল ও তালা ভাঙার যন্ত্র ও রামদা উদ্ধার করেছে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মিছবাহর মৃতদেহ সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *