ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে ধরেছি, একে একে সব ধরব: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয়

Sharing is caring!

দল ও সহযোগী সংগঠনগুলোর মধ্যে শুদ্ধি অভিযান প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোনো নালিশ শুনতে চাই না। ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে ধরেছি। একে একে সব ধরব।

বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে দলটির শীর্ষ নেতারা তাদের সাংগঠনিক অভিভাবক আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গণভবনে যান। সেখানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পরে প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

ছাত্রলীগের সঙ্গে বৈঠকে অনিয়মকারীদের কাউকে ছাড়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ছাত্রলীগের পর এখন যুবলীগকে ধরেছি। সামাজিক যেসব অসঙ্গতি রয়েছে, এগুলো দূর করতে হবে। মারামারি যারা করে, যারা খুনি, এই যে ক্যাসিনো নিয়ে মারামারি-খুনোখুনি হবে— এগুলো টলারেট করব না।

তিনি বলেন, আমি কষ্ট করে সবকিছু করছি দেশের জন্য। দেশের উন্নয়ন করছি। এর ওপর কালিমা আসুক, সেটা আমি কোনোভাবে হতে দেবো না। আমি কাউকেই ছাড়ব না। যদি কেউ বাধা দেয়, কাউকে ছাড়া হবে না।

ক্যাসিনোতে যেসব বিদেশি কাজ করছে, তাদের যারা এনেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্যাসিনোর সঙ্গে যারা জড়িত বিদেশি, তারা এলো কিভাবে? তারা ভিসা পেল কিভাবে? তাদের বেতন দেওয়া হয় কিভাবে? ক্রেডিট কার্ডে না ক্যাশে? কে ভিসা দিয়ে আনল তাদের— সবকিছু তদন্ত করা হচ্ছে। সবই ধরা হবে।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক শোভন ও সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে গোলাম রাব্বানীর পদত্যাগের পর আল নাহিয়ান খান জয় ও লেখক ভট্টাচার্য দায়িত্ব গ্রহণের পর গণভবনে বৃহস্পতিবার বিকেলে তারা সাক্ষাৎ করতে যান।

তাদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ নেতা যুগ্ম সাধারণ সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও বি এম মোজাম্মেল হক উপস্থিত ছিলেন।

গণভবনে আওয়ামী লীগ সভাপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বিভিন্ন সাংগঠনিক নির্দেশনা নেন ছাত্রলীগ নেতারা।

সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) আল-নাহিয়ান খান জয়; সহ-সভাপতি তানজিল ভূঁইয়া তানভীর, রেজাউল করিম সুমন, সোহান খান, আরিফিন সিদ্দিক সুজন, আতিকুর রহমান খান ও কাসফিয়া ইরা; সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত ) লেখক ভট্টাচার্য; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ চৌধুরী, আরিফুজ্জামান আল ইমরান, শামস-ই- নোমান, মো. শাকিল ভূইয়া, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহম্মেদ ও বেনজীর হোসেন নিশি; সাংগঠনিক সম্পাদক সাবরিনা ইতি, মামুন বিন সাত্তার ও সাজ্জাদ হোসেন।

এছাড়া ছাত্রলীগ ঢাবি শাখার সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন; ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম হোসেন ও মো. সাইদুর রহমান হৃদয় এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মো. মেহেদী হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মো. জুবায়ের আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *