রাজধানীর ৪ ক্লাবে পুলিশের অভিযান

জাতীয়

Sharing is caring!

রাজধানীর মতিঝিলে চারটি ক্লাবে অভিযান শেষে মতিঝিল জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর আমরা আভিযান শুরু করেছি। এর আগে ইন্টেলিজেন্স বা অন্য কোনো গোয়েন্দা সংস্থা থেকে ক্যাসিনো চালানোর ব্যাপারে তথ্য পাইনি। আজ ইন্টেলিজেন্স যখনই জানিয়েছে তখনই আমরা অভিযানে নেমেছি।’

রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে মতিঝিলের মহামেডান ক্লাব, ভিক্টোরিয়া ক্লাব, দিলকুশা ক্লাব ও আরামবাগ ক্লাবে ক্যাসিনোবিরোধ অভিযান চালানো হয়।

অভিযান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আনোয়ার হোসেন জানান, এই চারটি ক্লাবে অভিযানের সময় আমরা নগদ টাকা, ডলার এবং ক্যাসিনোসহ জুয়ার যাবতীয় সরঞ্জাম জব্দ করেছি। এখন আমরা এ ব্যাপারে তদন্ত করবো, কারা এর সঙ্গে জড়িত, কারা এর পৃষ্ঠপোষকাতা করে। তাদের সবাইকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। জড়িত যেই হোক না কেনো কাউকে আমরা ছাড় দেবো না।

আগে থেকে সবাই পালিয়ে যাওয়ায় অভিযানে কাউকে আটক করা যায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যেহেতু এইসব ক্লাবের একটি অংশ জুয়া খেলার জন্য তৈরি করা হয়েছিল তাই ক্লাব চারটি সিলগালা করা হয়েছে।’

মতিঝিল থানার পাশে চারটি জুয়ার ক্যাসিনো চললেও পুশিল এতদিন জানতো না কেনো সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আগে থেকে এ ব্যাপারে আমাদের কাছে কোনো গোয়েন্দা তথ্য ছিল না, আজ গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পরই আমরা অভিযানে নেমেছি।’

এর আগে রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে মতিঝিলের চারটি ক্যাসিনো ক্লাবে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানের শুরুতে আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ক্যাসিনোবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হচ্ছে। এই ক্লাবগুলোতেও জুয়ার আসর বসত। এছাড়া অন্য ক্লাব থেকে জুয়ার উপকরণ এইসব ক্লাবে এনে রাখা হয়েছে- আমাদের কাছে এমন খবর আছে। তাই অভিযান চালানো হচ্ছে।’

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) শফিকুল ইসলাম বলেন, রাজধানীর কোথাও জুয়ার আসর বসতে দেওয়া হবে না। ঢাকায় কোনো ক্যাসিনো থাকবে না। ক্যাসিনোর মালিক ও এর সঙ্গে জড়িতরা যত প্রভাবশালীই হোক না কেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

এর আগে বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত পল্টন ও মতিঝিল এলাকার কয়েকটি ক্যাসিনোতে অভিযান চালায় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে ক্যাসিনোগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি আটক করা হয় দুই শতাধিক ব্যক্তিকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *