প্রেম নাকি বন্ধুত্ব,সৃজিতের জন্মদিনে কলকাতায় মিথিলা

বিনোদন

Sharing is caring!

প্রেম শাশ্বত, প্রেম চিরন্তন। তাই মানুষ একবার প্রেমে পড়ে কিংবা বারবার প্রেমে পড়ে। প্রেম নামক আপেক্ষিকতাকে মানুষ এড়িয়ে যেতে পারে না বলেই জীবন চলার পথে সচেতন কিংবা অচেতন মনে প্রেমে পড়ে।

ওই যে আইয়ুব বাচ্চুর গানটি—আমি তো প্রেমে পড়িনি, প্রেম আমার উপরে পড়েছে। নির্মাতা সৃজিত মুখার্জীর বিষয়টা যেন এই গানটির বাস্তব প্রতিরূপ।

ভিন্নধর্মী গল্পের ছবি নির্মাণে সিদ্ধহস্ত সৃজিত যেন এপার বাংলার অভিনেত্রীদের স্বপ্নের পুরুষে পরিণত হয়েছেন। তাই তো ব-দ্বীপের অভিনেত্রীরা গ্যাস বেলুনে প্রেম বন্দী করে উড়াল দেন কলকাতায়। তারা আড্ডা দেন। ঘুরে বেড়ান। ফুচকা খান। আর একান্তে সময় কাটান!

এই একান্তে সময় কাটানোর বিষয়টি কখনো সখনো অন্তর্জালে ছড়িয়ে পড়ে। কানাঘুষা হয়। গুঞ্জন রটে প্রেমের। মুখরোচক খবর হয়। জয়া আহসানের সাথে সৃজিতের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে দুই বাংলার গণমাধ্যমে বেশ চর্চা হয়েছে।

এখন জয়ার সাথে সৃজিতের যোগাযোগ কমে এসেছে। সৃজিত আজকাল মজেছেন আরেক বাংলাদেশি অভিনেত্রী মিথিলার প্রেমে। এমনটাই দাবি গণমাধ্যমের। এই দাবি আরও মজবুত হয় সম্প্রতি সৃজিতের জন্মদিনে কলকাতায় গিয়ে মিথিরার কেক কাটার ছবি ভাইরাল হওয়ায়।

তবে সৃজিত যেন এসব বিষয়ে পাকা খেলোয়াড়। ধরি মাছ, না ছুঁই পানি। সৃজিতের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে কৌশলি উত্তর দেন। তিনি বলেন, সেলিব্রেটিদের ক্ষেত্রে এমন রিউমার নতুন কিছু নয়। এটা আমাদের মেনে নিতে হয়। মিথিলা আমার ভালো বন্ধু। বন্ধুর জন্মদিনে বন্ধু তো কেক কাটতে পারে। এটা নিয়ে জল ঘোলা করার কোনো মানে নেই।

এর আগে সৃজিত বহুবার জয়া আহসানকেও ‘বন্ধু’ বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। কলকাতায় যেসব অভিনেত্রীদের সাথে সৃজিতের প্রেমের সম্পর্ক ছিল তাদেরকেও তিনি ‘বন্ধু’ বলে গণমাধ্যমের কাছে মন্তব্য করতেন।

তবে সৃজিতের এই ‘বন্ধু’ শব্দটি যে ‘প্রেম’ শব্দটির প্রতিশব্দ সেটা সহজে অনুমেয়। তবে সৃজিত এটাও মানতে নারাজ। তিনি বলেন, বন্ধু মানে স্রেফ বন্ধু। প্রেম না, কোনো লুকোচুরিও না।

এখন সৃজিত সত্যিই কি প্রেম করছেন মিথিলার সাথে নাকি শুধুই বন্ধত্ব—সেটা সময় বলে দেবে। তবে কলকাতার একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, অনেক দিন যাবত চুটিয়ে প্রেম করছেন সৃজিত ও মিথিলা। এমনতি তারা বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারেন আগামী বছর।

সূত্র আরও জানিয়েছে, মিথিলার কাজিন অর্ণব তাদের দুজনের মধ্যে প্রেমের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করেছেন। এর সাথে বাংলাদেশের পরিচালক রেদওয়ান রনির নামও জড়িয়ে আছে। কারণ সৃজিত ঢাকা আসলে রেদওয়ান রনির বাসায় আতিথিয়তা গ্রহণ করেন। আর রেদওয়ান রনির সবচেয়ে কাছের বন্ধুদের একজন মিথিলা। সুতরাং দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাতে চায় অনেকে।

এখন সত্যিই যদি তারা প্রেমের রাজ্যে পঙ্খীরাজের ঘোড়ায় করে তেপান্তরের মাঠ পাড়ি দেন তাহলে লুকোচুরি প্রেমের গল্প তাহসানকে (মিথিলার প্রাক্তন স্বামী) যন্ত্রণা দিতেই পারে। আর সেই যন্ত্রণা ভুলতে তাহসান গীটারে টুংটাং শব্দে গান ধরতেই পারেন—আলো আলো আমি কখনো খুঁজে পাবনা, চাঁদের আলো তুমি কখনো আমার হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *