সম্রাটের পর র‌্যাবের হাতে আটক কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক আনিস

জাতীয় প্রচ্ছদ

Sharing is caring!

যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট আটকের পর তার তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিসুর রহমানকেও র‌্যাবের কব্জায় নেয়া হয়েছে। তারা র‌্যাবের হেফাজতে রয়েছে। কৌশলগত কারণে তাদের আটকের খবর প্রকাশ করা হচ্ছে না।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, সম্রাট এবং আনিসের কাছ থেকে ক্যাসিনো ব্যবসার উৎস, কারা জড়িত, কাদেরকে অর্থায়ন করা হতো এবং কাদের মদদে এই ক্যাসিনো পরিচালিত হতো সে ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নিশ্চিত হয়েছে যে, ক্যাসিনো ব্যবসা শুধুমাত্র সম্রাট একা বা যুবলীগ-আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার হাতে পরিচালিত হয়নি। এই ক্যাসিনো ব্যবসার পেছনে একটা সিন্ডিকেট রয়েছে। সেই সিন্ডিকেটের সদস্যদের খুঁজে বের করার জন্য সম্্রাট ও আনিসকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

সূত্রগুলো জানায়, প্রকাশ্যে আটক দেখানো হলে এ নিয়ে গুঞ্জন তৈরি হয় এবং তথ্য প্রাপ্তিতে বাধা সৃষ্টি করে। খালেদ এবং জি কে শামীমকে আটকের পর এই অভিজ্ঞতা হয়েছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার। এজন্য খালেদ আটক হওয়ার পর কোনো তথ্যই প্রকাশ করা হয়নি। সেজন্য কৌশলগত কারণেই সম্রাট ও আনিসের আটকের খবরও গোপন রাখা হয়েছে। এর মূল কারণ হলো নির্বিঘ্নে জিজ্ঞাসাবাদ,তথ্য সংগ্রহ এবং ক্যাসিনো ব্যবসার পেছনের গডফাদারদেরকে খোঁজে বের করা।

এদিকে আনিসকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে মূলত তারা কিভাবে যুবলীগের নেতৃত্বে এসেছে সে বিষয়ে। বিভিন্ন সময় অভিযোগ উঠেছে যে, যুবলীগে অর্থের বিনিময়ে পদ দেয়া হয়েছে এবং নানা রকম কমিটি বাণিজ্য হয়েছে, সেগুলোর সত্যতা যাচাই করার জন্য আনিসকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সে ১০ বছরে কিভাবে ফুলেফেঁপে উঠছে তার সংগ্রহ করা হচ্ছে।

তথ্য সূত্র : দৈনিক জাগরণ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *