হংকংয়ে বিক্ষোভে মুখোশ নিষিদ্ধ করছে সরকার

আন্তর্জাতিক

Sharing is caring!

চীনের আধা-স্বায়ত্তশাসিত শহর হংকংয়ে বিক্ষোভ দমাতে এবার মুখোশ নিষিদ্ধ করেছে হংকং কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (৫ অক্টোবর) থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী ক্যারি ল্যাম তার বিশেষ ক্ষমতাবলে এক জরুরী অধ্যাদেশ জারি করেন। এতে হংকংয়ে সব ধরণের মুখোশ পরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অধ্যাদেশটি জারির বিষয়ে ক্যারি ল্যাম বলেন, ‘এই ধরনের সহিংস বিক্ষোভ শহরটিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। কর্তৃপক্ষ এই পরিস্থিতিকে আর অবনতি হতে দেবে না।’

নিরাপত্তা সচিব জন লী বলেন, ‘এই নিষেধাজ্ঞা সব ধরনের সমাবেশ, বিক্ষোভ ও র‍্যালীতে কার্যকর থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় সব ধরনের মুখোশ পরা বেআইনি হবে।’

এদিকে এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারিকে সমালোচকরা ঔপনিবেশিক আমলের পদক্ষেপ বলে সমালোচনা করছেন।

শুক্রবার (৪ অক্টোবর) এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর হংকংয়ের বিক্ষোভকারীরা এদিন মুখোশ পরে এক বিক্ষোভ করেন। তারা সরকারের এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জনাতে অন্যদেরও মুখোশ পর‍তে আহবান জানায়।

হংকংয়ে যে জরুরী অধ্যাদেশটি কার্যকর করা হয়েছে তা ১৯২২ সালের তৈরি। এই অধ্যাদেশটি ১৯৬৭ সালের পর আর কখনও কার্যকর হয়নি চীনে।

গত জুন থেকে হংকংয়ে গণতন্ত্রপন্থীদের এ বিক্ষোভ শুরু হয়। আসামী প্রত্যাবর্তন বিলের বিরুদ্ধে হংকংয়ের জনগণ রাস্তায় নেমে আসে। এ বিলের কারনে চীন চাইলে সন্দেহভাজন অপরাধীদের নিজ ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নিয়ে বিচারের মুখোমুখি করতে পারবে। আর এর প্রতিবাদেই বিক্ষোভে নেমেছেন লাখো মানুষ।

তবে গত মাসে এই বিল বাতিল করেন হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী ক্যারি ল্যাম। তারপরও দমেনি বিক্ষোভ। বিক্ষোভকারীরা আন্দোলনকে গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনে রূপ দিয়েছে। ১ অক্টোবর চীনের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে হংকংয়ে ব্যাপক আন্দোলন শুরু হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *