নগরীর আগ্রাবাদে র‌্যাবের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে যুবলীগ নেতা নিহত।

অপরাধ চট্টগ্রাম মহানগর প্রচ্ছদ

Sharing is caring!

নগরীর আগ্রাবাদে র‌্যাবের গুলিতে খোরশেদ নামের একজন নিহত হয়েছে। খোরশেদ যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন।র‌্যাবের দাবি, বন্দুকযুদ্ধে নিহত খোরশেদ ‘তালিকাভুক্ত’। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, খোরশেদ আগ্রাবাদ এলাকায় যুবলীগ পরিচয়ে চাঁদাবাজি করতেন। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলেও বারবার পুলিশের হাত থেকে পালিয়েছেন তিনি। তাকে গ্রেপ্তার করতে গেলে র‌্যাবের সাথে তার গুলিবিনিময় হয়। এতে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এদিকে খোরশেদের নিহত হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে তার অনুসারীরা আগ্রাবাদ এলাকায় তিনটি রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত খোরশেদ পাঠানটুলী ওয়ার্ড যুবলীগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। এক সময় ২৮নং পাঠানটুলী ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ আবদুল কাদেরের ঘনিষ্ট হিসেবেও পরিচিত ছিলেন তিনি। বছর দুয়েক আগে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরে। এরপর থেকে খোরশেদ আলাদা বলয় তৈরি করেন। কাদেরকে ঠেকাতে কমার্স কলেজ কেন্দ্রিক টিপুর নেতৃত্বে একটি গ্রুপ গড়ে ওঠে। এ গ্রুপটি কাদেরের অনুসারীদের সাথে টিকতে না পেরে খোরশেদের শরণাপন্ন হয়। পরে খোরশেদ-টিপু জোটবদ্ধ হয়ে আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কাদেরকে ঠেকাতে প্রস্তুতি নিতে থাকেন। একই সাথে এলাকায় টেন্ডার, চাঁদাবাজির একচ্ছত্র অধিপতি হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে দল ভারি করতে থাকেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *