ঘুমন্ত তুহিনকে কোলে করে নিয়ে আসেন বাবা, গলা কাটেন চাচা

প্রচ্ছদ সারাদেশ

Sharing is caring!

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কেজাউড়া গ্রামের ৫ বছরের শিশু তুহিনকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় দুই স্বজন আদালতে ১৪৪ ধারায় জবানবন্দিতে দোষ স্বীকার করেছেন। এছাড়াও এ মামলায় তুহিনের বাবা ও দুই চাচাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।মঙ্গলবার সুনামগঞ্জ জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম শ্যাম কান্ত সিনহা এ আদেশ দেন।

অতি: পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের সামনে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, শিশু তুহিনকে নৃশংসভাবে হত্যা করে বাবা, চাচাসহ পরিবারের সদস্যরা। ঘুমন্ত তুহিনকে কোলে করে ঘরের বাইরে নিয়ে আসেন বাবা। পরে বাবার কোলের ঘুমের মধ্যেই ছুরি দিয়ে গলাকেটে খুন করেন চাচা নাছির উদ্দিন ও চাচাতো ভাই শাহরিয়ার। পরে তুহিনের কান ও লিঙ্গ কেটে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়।

সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান এসময় বলেন, প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এ হত্যাকাণ্ড করা হয়েছে বলে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। তবে এ বিষয়ে আরো অধিকতর তদন্ত করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, সোমবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের গচিয়া কেজাউড়া গ্রাম থেকে তুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে গ্রামের আবদুল বছির মিয়ার ছেলে। হত্যাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশুটির কান, গলা ও লিঙ্গ কেটে পাশবিক কায়দায় হত্যা করে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে। শিশুটির পেটে বিদ্ধ ছিল দুটি ধারালো ছুরি। শিশুর মরদেহে বিদ্ধ ছোরা দুটির হাতলে সোলেমান ও সালাতুলের নাম লেখা ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *