চসিকে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ, নওফেলের প্রতিবাদ

জাতীয় প্রচ্ছদ

Sharing is caring!

স্থগিত হওয়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী ‘রেজাউল করিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে অপপ্রচার’ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। একটি জাতীয় দৈনিকে প্রচার হওয়া ওই সংবাদকে দৃষ্টিকটু ও উদ্দেশ্য মূলক প্রতিবেদন হিসেবে চিহ্নিত করে এই বিষয়ে সবাইকে প্রতিবাদ করার আহবানও জানিয়েছেন উপমন্ত্রী।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক পাতায় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল লিখেছেন, ‘চট্টগ্রামে ত্রান-সাহায্য নিয়ে একটি আপত্তিকর সংবাদ বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় আজ দেখলাম। এই শিরোনাম দেখে মনে হলো এটি একেবারে শতভাগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারা চট্টগ্রামের মেয়র পদে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরীকে নিয়ে একটি দৃষ্টিকটু শিরোনাম লিখেছেন, এ বিষয়ে অবশ্যই প্রতিবাদ করা উচিৎ।’

ওই সংবাদে মেয়র ও প্রার্থীদের একই কাতারে ফেলে তুলনা করাকে অযৌক্তিক দাবি করে তিনি লিখেন, “প্রার্থী” আর নির্বাহী পদধারী এক বিষয় নয়। যেহেতু পত্রিকার সাংবাদিক, অবশ্যই উনারা জানবেন, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সরকারি ত্রান বিতরণ হচ্ছে সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে। বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের বরাদ্দ দেয়া এই ত্রান-সাহায্য। একটি সরকারি প্রক্রিয়ায় এই নির্বাহী কাজ একটি সংস্থা, তথা সিটি কর্পোরেশনের উপর ন্যস্ত। এই বরাদ্দ বন্টনে, সংসদ সদস্য, মন্ত্রী, রাজনীতিবিদ বা অন্যকারো কোনো ধরনের সরাসরি আইনী এখতিয়ার নেই। স্বাভাবিকভাবেই চলমান মেয়র, কাউন্সিলররা দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য। আর বাকি যারা আছেন, সংসদ সদস্য, মন্ত্রী, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবি, তারা সবাই করছেন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত তহবিল থেকে। সবার সামর্থ এক নয়, কিন্তু সবাই চেষ্টা করছেন। তাই সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধ্য কারো সাথে, ব্যক্তিগত তাগিদে করে যাওয়া ব্যক্তির সাথে তুলনা খুবই অশোভনীয় এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ‘

বিএনপির কোনো অবদান কোনো সংকটে ছিলোনা। যখন এত সংবাদমাধ্যম ছিলোনা, দেশের প্রয়োজনে দলের আমাদের দলের অনেক কর্মী নিরলসভাবে কাজ করেছেন। এদের অনেকেই দলের প্রয়োজনকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন, নিজের প্রচারের চাইতে। তাই লাইমলাইটে ছিলেন না। আবার অনেকে প্রেস রিলিজের রাজনীতি করেই লাইমলাইটে ছিলেন, আর বিএনপি প্রেস রিলিজের রাজনীতিই করেছে। বাস্তবে কোথাও দেখা যায় নাই। সিটি এলাকায় ত্রান-সাহায্য আমিও দিয়েছি, রেজাউল করিম চৌধুরীও দিয়েছেন, আমাদের দলের অনেকেই দিয়েছেন, এগুলো সবই ব্যক্তি উদ্যোগে। আমার সামর্থ আর অনেক টাকার মালিক আরেক জনের সামর্থ যেমনি এক হবেনা, সরকারের নির্দিষ্ট নির্বাহী দায়িত্ব যার উপর ন্যস্ত, তার কাজের চাপও এক হবেনা। তাই এই ধরনের পক্ষপাত মূলক সংবাদ শিরোনাম একটি জাতীয় দৈনিকে না থাকাই ভালো। সংবাদে নিরপেক্ষতা থাকবে, বস্তুনিষ্ঠতা থাকবে এটাই আমরা সবাই আশাকরি। সরকারের নির্বাহী দায়িত্ব না নেয়া পর্যন্ত সরকারের সমান সমান ত্রান-সাহায্য না দেয়ার অভিযোগ একেবারেই অবান্তর এবং অপ্রাসঙ্গিক।

Leave a Reply