গোপালগঞ্জে হতদরিদ্র ১১ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিলেন গাজী হাফিজুর রহমান লিকু।

সারাদেশ

Sharing is caring!

বৈশ্বিক মহামারী করোনা মোকাবেলায় দেশের লকডাউন পরিস্থিতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তার জন্মস্থান নিজ জেলা গোপালগঞ্জে হত-দরিদ্র এবং মধ্যবিত্ত এগারো হাজার পরিবারকে সুশৃঙ্খল ব্যবস্থায় খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন সরকারী বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক ভিপি, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এপিএস-২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকু। খাদ্য সহায়তা পেয়ে লকডাউনে কর্মহীন দিনমজুর মানুষের মুখে সুখের হাসি ফুটে উঠেছে। ছোট ছোট পরিবার গুলোর প্রায় এক মাসের খাদ্যের যোগান তাদের হতাশা দূর করেছে। প্রথমধাপে একহাজার পরিবাকে ২৫ কেজি করে চাউল পৌঁছে দেওয়া হয় এবং পরবর্তী ধাপে ১৫ কেজি করে দশ হাজার পরিবারের ঘরে চাউল পৌঁছে দেওয়া হয়। গোপালগঞ্জে বসবাসরত অনেক মধ্যবিত্ত পরিবার লোকলজ্জার আড়ালে এই খাদ্য সহায়তা পেয়েছেন যা তাদের জন্য সময়োপযোগী প্রাপ্তি । শহরের ভোগ্যপণ্যের মার্কেটগুলো করোনা আতংকে অনেকদিন বন্ধ থাকায় সব শ্রেণীর মানুষের মাঝে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের সংকটের আশংকা তৈরী হয়, ঠিক তখনই তাদের ঘরে ঘরে পৌঁছে যায় গাজী হাফিজুর রহমান লিকু-র খাদ্য সহায়তা। গোপালগঞ্জের মানুষের জন্য নিবেদিত এই নেতা তার ছাত্র রাজনৈতিক জীবন থেকেই এমন মানবিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। গোপালগঞ্জের বিভিন্ন মসজিদ,মন্দির,গির্জা,এতিমখানা ও মাদ্রাসায় অনেক অর্থ সহযোগিতা করে আসছেন গাজী হাফিজুর রহমান লিকু। অনেক রোগাক্রান্ত মানুষকে চিকিৎসা খরচের সহায়তা দিয়েছেন, অস্বচ্ছল অনেক পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে -গোপালগঞ্জ শহর ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক ও বর্তমান যুবলীগ নেতা শেখ রাশেদ আহমেদ রিকো বলেন -গাজী হাফিজুর রহমান লিকু গোপালগঞ্জের মানুষের জন্য এই দূর্যোগকালীন সময় যে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন তা সুন্দর একটি মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো। গোপালগঞ্জের ১১ হাজার পরিবারের পাশাপাশি জেলার অধিকাংশ মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সহযোগিতা করছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জেলার প্রত্যেকটা উপজেলা, ইউনিয়ন, গ্রাম ও মহল্লা পর্যায়ে সরকারী ত্রান সরবরাহ এবং নেতা-কর্মীদের মাধ্যমে হত-দরিদ্র মানুষের নিয়মিত খোঁজ খবর নিচ্ছেন।

জানতে চাইলে সরকারী বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক সম্পাদক (বাকসু) ও চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোঃ শাহীন মোল্লা বলেন – গাজী হাফিজুর রহমান লিকু শুধু গোপালগঞ্জের মানুষের জন্য নয় সারা দেশের অংশ হিসেবে তিনি চট্টগ্রামস্থ বৃহত্তর ফরিদপুরের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের খোঁজ নিয়েছেন এবং তাদের সহযোগিতার পরামর্শ দিয়েছেন, যেটা এখনও চলমান।

প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান এপিএস-২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকু তার মাধ্যমিক ছাত্র জীবন থেকেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। স্কুল পালিয়ে স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ব্যাপক ভুমিকা পালন করতেন, পরবর্তীতে জামাত বিএনপির শাসনামলের সময় গোপালগঞ্জের রাজপথ ছিল তার দখলে। বিএনপি জামাত ক্ষমতার সময় অনেক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ছদ্মবেশে থাকা ছাত্র শিবির এবং ছাত্রদলের ক্যাডারদের নির্মম অত্যাচারের শিকার হয়েছিলেন, ডজনের পর ডজন মিথ্যা মামলার জট নিয়ে তৎকালীন ফেরারী আর যাযাবর জীবন-যাপন করেছেন বছরের পর বছর। মৃত্যুর সাথে আলিঙ্গন করেছেন অসংখ্যবার, হাজার হাজার রাবার বুলেট আজও শরীরে বাসা বেঁধে আছে, ২১-শে আগষ্ট শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত ভ্যানগার্ড হিসেবে গ্রেনেডের স্প্রিন্টারের আঘাত এখনো শরীরকে পীড়া দেয়। দু-তিনমাস পরপর ছোট ছোট অপারেশন করতে হয় এই মানবতার ফেরীওয়ালার।
দেশের এই আপদকালীন সময়ে তিনি সবাইকে সরকারী স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ করেছেন, সচেতন থেকে ফসল উৎপাদনে কৃষক ভাইদের উৎসাহ সৃষ্টিতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জন্য দোয়া করেছেন গাজী হাফিজুর রহমান লিকু।

Leave a Reply