সংকটের মাঝে ভার্চুয়াল মাধ্যমগুলোই কী শেষ ভরসা?

তথ্য প্রযুক্তি ফিচার

Sharing is caring!

নাবিলা ইবনাদ»  প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বের অনেক দেশের জনজীবন সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়েছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে। তবে বন্ধ নেই ভার্চুয়াল মাধ্যমগুলোতে ।

যোগাযোগের ক্ষেত্রে আগেও এসব মাধ্যম ব্যবহার হয়ে আসলেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে বেড়েছে ব্যবহারের মাত্রা। ব্যক্তি জীবন তো বটেই, পেশাগত ক্ষেত্রেও যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে কাজ করছে ভার্চুয়াল জগৎ।

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল ও কলেজগুলোও নিচ্ছে অনলাইন ক্লাস এবং পরীক্ষা। এদিকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ক্লাস ও পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকে বলছেন, অনলাইন ক্লাস ও পরীক্ষার ফলে সেশন জট থেকে মুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট সময়ে শিক্ষাজীবন শেষ হবে। যা একটি গুরত্বপূর্ণ ইতিবাচক দিক শিক্ষার্থীদের জন্য। আবার অনেক শিক্ষার্থী মনে করছেন, করোনাকালীন এই সময়ে অনেক ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকছে। যার ফলে অনলাইন ক্লাস ও পরীক্ষা বাড়তি চাপ স্বরূপ তাদের জন্য।

অনলাইন মাধ্যম যেমন: জুম, স্কাইপ,হোয়াটস এপ, মেসেঞ্জার ইত্যাদির মাধ্যমে অফিসের কার্যক্রম চলছে। কর্মীদের প্রায়ই ১২/১৩ ঘন্টা যুক্ত থাকতে হচ্ছে অনলাইন মাধ্যম গুলোয়। বাড়িতে বসে কাজ আরামদায়ক মনে হলেও অনেক ধরনের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আর প্রযুক্তির সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার বিষয়টিতো রয়েছেই।

প্রিয়জনের নিরাপত্তার জন্যেই বজায় রাখতে হচ্ছে সব ধরনের দূরত্ব । একে ওপরের সাথে যোগাযোগের জন্য ভার্চুয়াল মাধ্যম গুলোই এখন ভরসা। ডিজিটাল জগতের ডিজিটাল আড্ডায় থাকেনা প্রাকৃতিক পরিবেশ, থাকে না কোনো কোলাহল, স্পর্শতা কিংবা শারীরিক উপস্থিতি। যা সাময়িক আনন্দের হলেও মোটেও দীর্ঘস্থায়ী নয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্লান্তি আসাটা স্বাভাবিক। তাই মাঝে মাঝে বিরতি নেয়া ভালো। নাহলে কাজের মাঝে একঘেয়ে মনোভাব সৃষ্টি হবে। তাছাড়া খুব বেশি সময় একটানা ডিভাইসের সাথে থাকা উচিৎ নয়। তাই কাজের ফাঁকে ফাঁকে স্বল্প বিরতি নেয়া যেতে পারে যা কিছুটা আরামদায়ক করবে আমাদের কার্যক্রমগুলোকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *